KAITHI (2019)

The Platform (2019)

🍮 Genres : Sci-Fi, Thriller, Horror
🍽️ Runtime : 94 min
🎬 Director : Galder Gaztelu-Urrutia
Personal Rating: 9/10

পৃথিবীতে কতটা বৈষম্য আছে সর্ব ক্ষেত্রে তা এই মুভিটিতে শুধু খাবারের মাধ্যমে ই বুঝানো হইছে।

কথায় আছে,
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়,
আকাশের চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।
এই কথাটির সত্যতা পেয়ে গেলাম এই মুভিটি দেখে।

আলোচনা :

মুভিতে দেখা যায় ৩৩৩তলা বিশিষ্ট একটি বিরাট জেলখানা। অর্থাৎ জেলখানাটিতে ০ থেকে শুরু করে উপর-নিচ মোট ৩৩৩ টি লেভেল আছে। এই জেলখানা কে ‘সেলফ ম্যানেজমেন্ট’ ও বলা হয়। প্রতিটি লেভেলে ২জন করে মোট ৬৬৬জন কয়েদি আছেন। আর প্রতি এক মাস পরপর লেভেলে থাকা কয়েদিদের অন্য লেভেলে পরিবর্তন করা হয়।
এই জেলখানায় অনেকে স্বেচ্ছায় আসে আবার অনেকে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন আবার অনেকেই ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট অর্জন করার জন্যও আসে। কিন্তু এই জেলখানাটি অন্যান্য জেলখানার মতো কোন স্বাভাবিক জেলখানা নয়। এখানে টিকে থাকার জন্য কয়েদিদের প্রতিটি সেকেন্ড Survive করতে হয়।
আর এটির একদম উপরে রয়েছে একটি বিশাল রেস্টুরেন্ট যেখানে প্রত্যেক কয়েদীদের জন্য পছন্দ অনুযায়ী খাবার রান্না করা হয়। এই জেলখানার ০লেভেল থেকে ৩৩৩লেভেল পর্যন্ত মাঝাখান বরাবর রয়েছে একটি লিফট যেই লিফটের মাধ্যমে প্রতিটি লেভেলে কয়েদিদের জন্য খাবার সরবরাহ করা হয়। এই লিফট প্রত্যেকটি লেভেলে এক মিনিটের জন্য থামে অর্থাৎ এই এক মিনিটে কয়েদীরা যা খাবার খেতে পারবে তাই খাবে। আর মজার বিষয় হচ্ছে কয়েদিরা চাইলেও সেই খাবার কোথাও সংরক্ষণ করতে পারেনা কারণ খাবার সংরক্ষণ করলে সেই খাবার ও মানুষসহ গরমে সিদ্ধ হয়ে যাবে। এখানে আরো একটি মজার বিষয় হচ্ছে ০লেভেল থেকে খাবারের লিফট যতই নিচে নামে ততই খাবার শেষ হতে থাকে। কারণ উপরের লেভেলের কয়েদীরা বেশিরভাগ খাবার খেয়ে ফেলে। উপরের লেভেলের কয়েদিরা খেয়ে যা অবশিষ্টাংশ খাবার থাকে তা নিচের লেভেলের কয়েদিদের খেতে হয়। মোটামুটি ০ থেকে ৫০লেভেলের কয়েদিরা পেট ভরে খাবার খেতে পারে।
মুভির নায়ক গরেং এখানে স্বেচ্ছায় এসেছেন। তিনি একদিন চোখ খুলে দেখেন ৪৮নাম্বার লেভেলে তিনি আছেন। যতই দিন যায় গরেং ততই খাবারের জন্য Survive করতে থাকেন। এখানে অন্যান্য কয়েদিদের কষ্ট আর অনাহার দেখে তিনি রীতিমতো ভয় পেয়ে যান। অনাহারের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে অনেকে উপর থেকে নিচে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

আমি আর বেশিকিছু বলবোনা। বাকিটুকু আপনারাই দেখে নিবেন।

So happy watching 🎬

Stowaway(2021)

কোনো মুভি সিরিজ যাই হোক নো ম্যাটার হুইচ প্ল্যাটফর্ম প্লট আর স্টোরি যদি স্ট্রং থাকে বেশি ক্যারেক্টার এর প্রেজেন্স যে বাঞ্ছনীয় তার মোটামুটি ভালো একটা উদাহরণ স্টোঅ্যাওয়ে।
স্পয়লার নাম্বার এক: মাত্র চারটা ক্যারেক্টার দিয়ে পুরো মুভিটি।
ইয়েস মাত্র চারটা ক্যারেকটার দিয়ে একটা আস্ত একটা সিনেমা ১১৬ মিনিট রানটাইমের,শেষ কবে এরকম সিম্পলিস্টিক সিনেমা দেখছি মনে নাই,আমার মতে এই সিনেমার সবথেকে স্ট্রং পয়েন্ট হলো excess পরিহার আর সিম্পলিসিটি।

প্লট টা মোটামুটি এইরকম যে তিনজন মহাকাশচারী মার্স এ যাচ্ছে ছোট একটা মহাকাশযানে করে,যেখানে রিসোর্স খুবই সীমিত সবার জন্যেই ফুড,অক্সিজেন হেন তেন। রকেট লঞ্চ হওয়ার পরে দেখা যায় ভেতরে আরো একজন বেশি(অ্যাক্সিডেন্টালি) মানে প্রত্যেকের জন্য বরাদ্দ রিসোর্স এখন শেয়ার করতে হবে কারণ দেয়ার ইজ নো ওয়ে ব্যাক। এর মধ্যে নষ্ট হয়ে যায় রকেটের অক্সিজেন জেনারেটর/ফিল্টার। তারপরের কাহিনী সিনেমা দ্রব্যষ্ট।

মুভিটা নিয়ে প্রথম কথা মুভিটা প্রচুর স্ট্রেইটফরোয়ার্ড কাহিনী প্রোগ্রেশন সামান্য স্লো আর একইসাথে প্রচুর প্রেডিক্টেবল।মানে আপনি যা ভাবতেছেন এর পরে এইসব হইতে পারে তাই হবে আর দ্বিতীয় কথা এই মুভিতে কোনো টুইস্ট নাই যা আছে তা হইলো প্রোবাবিলিটি আর পসিবিলিটি। একটা সুযোগ যদি পাওয়া যায় অক্সিজেন জোগাড় এর হয় সবাই বাঁচবে নাহলে সবাই মারা যাবে এই টাইপ পসিবিলিটি এইজন্যেই আরকী স্ট্রেইটফরোয়ার্ড+ প্রেডিক্টেবল বলা।

আর খারাপ দিক বলতে কাহিনী প্রোগ্রেশন একটু স্লো যা কাহিনী রান টাইম আরো কম হতো ইজিলি (সর্বোচ্চ ৮০-৯০ মিনিট এর কাহিনী) আর লাস্টের দিকে একটা সিনে রেডিয়েশন কে ভিজুয়ালাইজ করছে ব্যাপারটা একদম পছন্দ হয় নাই,মানে যেই জিনিস দেখা যায় না সেই জিনিস যদি এখন সবুজ রঙ ধারণ করে ব্যাপারটা সুখকর না নিশ্চই।

Personal Rating :6/10

𝙆𝙖𝙡𝙖 (2021) ধরনঃ Psychological, Thriller দেশঃ India ভাষাঃ Malayalam রানটাইমঃ 2 hrs 7mins ক্রিটিক্স রেটিংঃ 3.5/5 ইউজারস রেটিংঃ 3.5/5 ডিরেক্টর : Rohith.v.s এক্টর: Tovino thomas, Divya pillai, Lal, sumesh moor আলোচনা: মুভির গল্প শুরু হয় সাজি নামের এক যুবক কে দিয়ে।সাজির সাথে তার স্ত্রী সন্তানের যতটা ভালো সম্পর্ক ঠিক তেমনই তার বাবা’র সাথে ততোটাই খারাপ সম্পর্ক। তার বাবা ছাড়াও আরো কিছু মানুষের কাছ থেকেও টাকা ধার করার জন্য জন্য অপমানিত হতে হয়। এরই মাঝে তার বাবা’র নির্দেশমতো কিছু লোক আসে তাদের বাড়িতে কাজ করার জন্য আসে। যারা বাড়িতে কাজ করতে আসে তাদের সবার মধ্যে একটু অদ্ভুত আর সন্দেহজনক আচরণ লক্ষ করা যায়। আর সেখান থেকেই মুল কাহিনি শুরু হয়। অব্যশই মুভিটির মুল কাহিনী জানতে হলে অব্যশই মুভিটি দেখতে হবে। এমন অনেক সময় আছে যখন আপনি কোনও সিনেমার জন্য একটি পর্যালোচনা লিখতে খুশি হন এবং এটি সে সম্পর্কে লিখতে আমাকে প্রচুর আনন্দ দেয়। একটি পেরেক কামড়ানোর থ্রিলার যা শাজির চারপাশে ঘুরে বেড়ায় যিনি মানুষের আবেগের কবলে পড়ে তাঁর জীবনের এমন এক দিন যা অকল্পনীয়। টোভিনো থমাস, শাজি যেমন কেবল চরিত্র নন, তিনি আক্ষরিক অর্থেই জীবনটাকে এনে দিয়েছেন। তাঁর চরিত্রটি নির্দিষ্টভাবে স্কেচ করা হয়েছে যা মানুষের আবেগের বিভিন্ন শেডকে চিত্রিত করে। তিনি এমন একটি ভূমিকা পালন করেন যিনি নিজেকে পুরুষতন্ত্রের একটি রূপ হিসাবে বিবেচনা করেন যা তাকে প্রচুর সমস্যায় ফেলেছে। আপনি এই চরিত্রের অন্য কারও পক্ষে থাকতে পারবেন না এবং একটি চরিত্র কেবল তাঁর জন্য খোদাই করা হয়েছে। এমন একটি ভূমিকা নেওয়ার জন্য তাকে বড় অভিবাদন যা জনপ্রিয় তারকাদের বেশিরভাগ দু’বার ভাবেন। আর একটি শিরোনামের চরিত্র, সুমেশ মুর তার অংশটি পেরেক দিয়েছেন। তিনি টোভিনোর সাথে সমান এবং আপনি কখনই অনুভব করবেন না যে তিনি ব্যবসায়ের তুলনায় তুলনামূলকভাবে নতুন। লাল এবং দিব্যা পিল্লির স্ক্রিন সময় সীমিত তবে তারা স্ক্রিপ্টের প্রয়োজন অনুসারে ভাল সমর্থন দিয়েছে। এই অন্ধকার সিনেমাটি খোলার সাথে সাথেই আপনাকে একটি উদ্ভট অনুভূতি দেয় এবং আপনার অনুসন্ধিৎসুতা তার শীর্ষে রাখে। সিনেমাটোগ্রাফিটি কমপক্ষে বলতে উজ্জ্বল। ভিজ্যুয়াল রক্তাক্ত স্নান এবং লড়াইয়ের গ্রাফিকাল প্রতিনিধিত্ব হতাশ হৃদয়ের জন্য নয় তবে এটি এই চলচ্চিত্রের ইউএসপি। নেতিবাচক বিতর্কটি যা পুরো বিবরণ জুড়ে রক্ষা করা হয়েছে তা চমত্কার সাউন্ড ডিজাইন সানু পি এবং সম্পাদক লিভিংস্টন ম্যাথিউয়ের কারণেও মুভিটি দর্শকদের জন্য জড়িত রাখে এমন একটি উল্লেখ প্রয়োজন। মুভিটির একটি প্রধান অংশ হ’ল এটির ক্রিয়া ক্রম যা আক্ষরিক অর্থে আপনার চোয়ালগুলি প্রশস্ত করে তুলতে এবং উচ্চ অ্যাড্রেনালিন ভিড় অনুভব করতে পারে। যে কোনও সিনেমায় অভিনয়ের দীর্ঘতম সিক্যুয়েন্সগুলির মধ্যে একটি যা হাতের লড়াইয়ের চেয়ে বেশি এবং এটিকে বাস্তবসম্মত রাখাই আপনাকে কেবল দলের দ্বারা করা কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করে। অবশেষে, পরিচালক, রোহিত ভিএস যিনি এই সিনেমাটিক উজ্জ্বলতার পিছনে আসল মানুষ এবং কোনও বিষয়কে এমনভাবে নেওয়ার জন্য সবচেয়ে প্রশংসা প্রয়োজন যে আপনি কোনও ভারতীয় সিনেমায় খুব কমই দেখে থাকতে পারেন। বলা বাহুল্য, টোভিনোর প্রযোজনার ব্যানারে, এই সিনেমাটি সম্পূর্ণরূপে অনুভব করার জন্য প্রেক্ষাগৃহে অবশ্যই দেখতে হবে তবে আমি আপনাকে মনে করিয়ে দিতে পারি যে এটিতে প্রচুর পরিমাণে সহিংসতা এবং রক্তপাত হয়েছে। আশা করছি ভালো লাগবে।

Create your own website, free on WordPress.com.Create your own website.
Start free